শিরােনাম: ব্যাপ্তির নিয়ম উল্লেখপূর্বক বাস্তব উদাহরণের সাহায্যে পদের ব্যার্থ ও আত্যর্থের সবৃদ্ধির নিয়মের যথার্থতা যাচাই
ক) ব্যাপ্তির ধারণা উপস্থাপন
ব্যাপ্তির হলাে একটি পদ দ্বারা নির্দেশিত প্রতিটি ব্যক্তি বা ব্যক্তিবাচক বুঝনাের একটি বিশেষ ধর্ম বা গুণ (property)/ব্যাপ্তির ইংরেজি প্রতিশব্দ distribution দ্বাদশ শতকে উৎপত্তি হয়েছে ল্যাটিন distribution থেকে পদকে নির্দেশনা তত্ত্বের অংশ হিসেবে প্রকাশ করার জন্য distribution শব্দটি ব্যবহার করা হতাে এবং সার্বিক মানক (universal quantifier, যেমন- সব, সকল, যে কোন ইত্যাদি) ব্যবহার করে এর দ্বারা একটি পদের স্বধর্ম নির্দেশিত হতাে। যেমন, কুকুর পদটির ক্ষেত্রে সকল কুকুর হয় বিশ্বস্ত; এখানে কুকুর পদটি ব্যাপ্য কারণ প্রত্যেকটি কুকুরই নির্দেশ করা হয়েছে।
বিপরীতভাবে, একটি কুকুর পিয়নকে তাড়া করেছে’-এ বাক্যে একই পদ কুকুর ব্যাপ্য নয়; কারণ এখানে একটি মাত্র কুকুরকে নির্দেশ করা হয়েছে। দ্বাদশ শতক থেকেই ব্যাপ্তির ধারণাটি সহানুমানের বৈধতা নিরূপণের কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ব্যাপ্তির মানে হলাে ব্যাপকতা বা প্রসারতা। একটি যুক্তিবাক্যে একটি পদ কতটুকু ব্যাপ্তি বা ব্যাপকতা নিয়ে ব্যবহৃত হয় তাই হলাে ঐ পদের ব্যাপ্তির। সহজভাবে বলা যায় যে, যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত দু’টি পদ যে সব শ্রেণিকে নির্দেশ করে সেসব শ্রেণির সকল সদস্য না কতিপয় সদস্যকে প্রকাশ করছে তা বােঝানাের জন্য ব্যাপ্তির কথাটি ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদ তাদের ব্যক্ত্যর্থের দিক থেকে যতটুকু বিস্তার লাভ করে তাকে পদের ব্যাপ্তির বলে। পদের ব্যাপ্তির সম্পর্কে যুক্তিবিদ এইচ.ডব্লিউ.বি. যােসেফ (H.W.B. Joseph) বলেন, “একটি পদ যখন তার সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ কোনাে যুক্তিবাক্যে নির্দেশ করে তখন পদটি পূর্ণব্যাপ্য; আর তা না হলে অব্যাপ্য।” যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত পদসমূহ দুইভাবে তাদের ব্যক্ত্যর্থকে প্রকাশ করতে পারে। যেমন
ক. পূর্ণ ব্যাপ্য পদ খ. অপূর্ণ ব্যাপ্য পদ

Leave a Comment