এইচএসসি বিএম হিসাববিজ্ঞান নীতি ও প্রয়োগ ১ ৪র্থ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১|HSC BM Accounting Policy and Application 1st 4th Week Assignment Answer 2021


১নং প্রশ্নের উত্তর
কোন কোন ভুল রেওয়ামিলে ধরা পড়ে না আলােচনা করা হলাে:
রেওয়ামিল হিসাবের গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাই করেলেও, এমন কিছু ভুল আছে যা রেওয়ামিল প্রস্তুতের মাধ্যমে ধরা পড়ে না। এ জাতীয় ভুলকে রেওয়ামিলের সীমাবদ্ধতাও বলা হয়। এ জাতীয় ভুল স্বাভাবিক ভাবে ধরা না পড়লেও এদের সম্পর্কে জানা থাকা দরকার যাতে এ জাতীয় ভুল সংঘঠিত না হয় বা সংঘঠিত হলেও দ্রুত উৎঘাটন করা যায়। নিমে এ জাতীয় ভুল সম্পর্কে আলােচনা করা হলাে: ভুল প্রধানত দুই প্রকার। যথা: ১। করণিক ভুল এবং ২। নীতিগত ভুল 

(ক) বিচ্যুতি বা বাদ পড়ার ভুল, (খ) লেখার ভুল, (গ) বে-দাখিলার ভুল এবং (ঘ) পরিপূরক ভুল।

১। করণিক ভুল ( Clerical Errors): হিসাববিজ্ঞানের কার্যাবলি বিভিন্ন শ্রেণিতি বিভক্ত করে বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক হিসাবরক্ষণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। বিভিন্ন ব্যক্তি হিসাব সংরক্ষণের সমান পারদর্শী নয় বলে হিসাবে করণিক ভুল হয়ে থাকে। যেমন-করিমের নিকট হতে ৫,০০০/টাকার পণ্য ক্রয় বিষয়টি ভুলবশত ডেবিট পাশে ৫০০/- টাকা এবং ক্রেডিট পাশে ৫০০/- টাকা লেখা হলাে। এ ধরণের ভুল হলে রেওয়ামিল মিলে যায় এবং রেওয়ামিল হতে এ ভুল নির্ণয় করা সম্ভব হয় না। ভুলের প্রকৃতি অনুযায়ী করণিক ভুলকে আবার চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: (ক) বিচ্যুতি বা বাদ পড়ার ভুল, (খ) লেখার ভুল, (গ) বে-দাখিলার ভুল এবং (ঘ) পরিপূরক ভুল।

২। নীতিগত ভুল ( Errors of principles): হিসাববিজ্ঞানের স্বীকৃত নীতি না মানার ফলে হিসাবে অর্থাৎ মুনাফা জাতীয় কোন লেনদেনকে মূলধন জাতীয় হিসাবে লেখা বা মূলধন জাতীয় কোন লেনদেনকে মুনাফা জাতীয় হিসাবে লেখা। যেমন- আসবাবপত্র ক্রয়কে ক্রয় হিসাবে লেখা এবং পণ্য ক্রয়কে আসবাবপত্র হিসাবে লেখা। নীতগত ভুলকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: (ক) মুনাফা জাতীয় হিসাবকে মূলধন জাতীয় হিসাবে লেখা (খ) মূলধন জাতীয় হিসাবকে মুনাফ জাতীয় হিসাবে লেখা।



নিচের ছকের ঘরগুলির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা উল্লেখ করা হল: 
(১) ক্রমিক নং: রেওয়ামিলের ছকের সর্ববামে ঘরটি ক্রমিক নং হিসাবে ব্যবহার করা হয়। অনেকে ক্রমিক নং এর পরিবর্তে হিসাব নং বা কোড নং ব্যবহার করে থাকেন। এ ঘরে খতিয়ান হিসাবসমূহের ধারাবাহিক ভাবে ক্রমিক নং বসাতে হয়। 
(২) হিসাবে শিরােনাম: রেওয়ামিলে ছকের ক্রমিক নং এর পরবর্তী ঘরটি বিবরণ বা হিসাবের নাম শিরােনামে ব্যবহৃত হয়। এ ঘরে খতিযান হিসাব সমূহের নাম যেমন: মূলধন হিসাব, বিক্রয় হিসাব, মজুরি হিসাব, আসবাবপত্র হিসাব। ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। 
(৩) খতিয়ান পৃষ্ঠা: নমুনার ৩ নং ঘরটি খতিযান পৃষ্ঠা হিসাবে ব্যবহৃত হয়, খতিযানের যে সকল পৃষ্ঠা হতে হিসাব আনা হয়েছে ঐ সকল পৃষ্ঠা নং এ ঘরে লেখা হয়। 
(৪) ডেবিট উদ্বৃত্তের টাকার পরিমান: যে সকল হিসাব ডেবিট উদ্বৃত্ত প্রদর্শন করে সে সকল হিসাবের উদ্বৃত্ত ডেবিট টাকার ঘরে লেখা হবে। যেমন: আসবাবপত্র হিসাব, ক্রয় হিসাব, বেতন হিসাব ইত্যাদি। 
(৫) ক্রেডিট উদ্বৃত্তের টাকার পরিমাণ: যে সকল হিসাব ক্রেডিট উদ্বৃত্ত প্রদর্শন করে সে সকল হিসাবের উদ্বৃত্ত ক্রেডিট উদ্বৃত্তের টাকার পরিমাণের ঘরে লেখা হবে। যেমন: বিক্রয় হিসাব, মূলধন হিসাব, প্রদেয় হিসাব ইত্যাদি।







Leave a Comment