"বাংলা" ষষ্ঠ শ্রেণি ১৩ তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট
এর উত্তর
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজে চলতে হলে তাকে সমাজ ও
মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। কবি কামিনী রায় তার "সুখ"
কবিতায় পরের জন্য নিজের স্বার্থ ত্যাগ করার কথা বলেছে।
অন্যের হাঁসির মাঝে যে আনন্দ লুকিয়ে আছে তা কেবল একজন
স্বার্থহীন মানুসি বুঝতে পারে। মানুষের কল্যাণ করার মধ্যেই
আসল সুখ নিহিত। মানুষের জন্য কল্যাণকর এমন দশটি কাজের
তালিকা দেওয়া হলঃ
এলাকায় অসহায় দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
বিপদগ্রস্থকে সাহায্য করা।
এলাকার জনগণের কল্যানে ভাঙা রাস্তা-ঘাট মেরামতের
উদ্যোগ নেওয়া।
রাস্তায় চলাকালে কোন ময়লা আবর্জনা দেখলে তা সরিয়ে
নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা।
এলাকার মানুষকে ভালো ও সৎ কাজের পরামর্শ দেওয়া
এবং উৎসাহিত করা।
ঝরে পড়া শিশুদের পুনরায় স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
সমবয়সীদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং বড়দেরকে
সম্মান করা।
সকল প্রকার অন্যায় ও অসামাজিক কাজ থেকে নিজেকে
বিরত রাখা এবং অনদেরকেও বিরত থাকার পরামর্শ
দেওয়া।
মানুষের কল্যাণে সামজিক ও জনহিতকর কাজ করা। যেমনঃ
প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্ভিক্ষ ও মহামারি প্রতিরোধে
সরকারের পাশাপাশি নিজেও কাজ করা।
গরীব মেধাবী শিশুদের বই-পুস্তক প্রদান, অর্থ প্রদান, বিনা
বেতনে পড়ার সুযোগ করে দেওয়া।
মানুষ মানুষের জন্য। আমরা যদি একে অন্যের বিপদে পাশে
দাঁড়াতে পারি, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সাম্যের গান গাইতে
পারি তাহলেই সমাজ হয়ে উঠবে সুন্দর শান্তির এক আবাসন।

Leave a Comment