অ্যামােনিয়া বা এজেন (ইংরেজি: Ammonia) নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি রাসায়নিক যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত NH3। এটি সরলতম নিকটোজেন হাইড্রাইড, অ্যামােনিয়া হল চরিত্রগত কটুগণধযুক্ত বর্ণহীন গ্যাস। খাদ্য ও সার উৎপাদনকারী অনেক অণুজীবের পুষ্টিগত প্রয়ােজন পূরণে অ্যামােনিয়া গ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অ্যামােনিয়া, প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এটি অনেক বাণিজ্যিক পরিষ্কারক এজেন্টে ব্যবহার করা হয়।
গঠন: অ্যামােনিয়া অণুর পরীক্ষামূলকভাবে নির্ধারিত বন্ধন কোণ 106.7 সহ একটি ত্রিকোনাকার পিরামিড আকৃতি রয়েছে। | কেন্দ্রীয় নাইট্রোজেন পরমাণুতে প্রতিটি হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে অতিরিক্ত ইলেকট্রন সহ পাঁচটি বাইরের ইলেকট্রন থাকে।
জল বা পানির রাসায়নিক সংকেত হল H20... অর্থাৎ জল বা পানির একেকটি অণু একটি অক্সিজেন পরমাণু এবং দু'টি হাইড্রোজেন পরমাণুর সমযােজী বন্ধনে | গঠিত। এই H20 যৌগটির একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হল অপেক্ষাকৃত অল্প তাপমাত্রার পরিসরের মধ্যে এর তিনটি বিভিন্ন অবস্থা – কঠিন, তরল ও বায়বীয় পরিলক্ষিত হয়।
তাপমাত্রা
রাসায়নিক বন্ধন: পানি (H2O) হল একটি সাধারণ ট্রায়ােটমিক বেন্ট অণু । যা আণবিক প্রতিসাম্য এবং কেন্দ্রীয় অক্সিজেন পরমাণু এবং হাইড্রোজেন পরমাণুর মধ্যে বন্ধন কোণ 104.5। তরল বা কঠিন অবস্থায় পানির একটি | অণু প্রতিবেশী অণুর সাথে চারটি হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন করতে পারে।
মডেল: মিথেন
মিথেন একটি চতুস্তলকীয় (Tetrahedral) অণু যাতে চারটি সমতুল্য কার্বন | হাইড্রোজেন বন্ধন আছে। স্বাভাবিক তাপমাত্রা ও চাপে মিথেন একটি বর্ণহীন ও গন্ধহীন গ্যাস।
মিথেনের CH4 রাসায়নিক সূত্র এবং আণবিক ওজন 16.043g/mo৷ রয়েছে। মিথেন অণু হল টেট্রেহেড্রাল, কেন্দ্রে কার্বন পরমাণু এবং টেট্রাহেড্রনের কোণে | চারটি হাইড্রোজেন পরমাণু রয়েছে। প্রতিটি বন্ধন সমান, এবং প্রতিটি বন্ধন 109.5 of কোণ দ্বারা পৃথক করা হয়।
২ নং প্রশ্নের উত্তর:
ডাল্টনের পরমাণুবাদঃ ১৮০৩ সালে ইংরেজ পদার্থ ও রসায়ন বিজ্ঞানী জন | ডাল্টন পরমাণু সম্পর্কে একটি তত্ত্ব প্রকাশ করেন যা ডাল্টনের পরমাণুবাদ নামে। পরিচিত। তার প্রদত্ত পরমাণুবাদে মােট পাঁচটি স্বীকার্য আছে। এই স্বীকার্য পাঁচটি হলাে
1. পদার্থ অতি ক্ষুদ্র কণাসমূহ দ্বারা গঠিত এই কণাগুলাের নাম পরমাণু।
2. একই পদার্থের পরমাণুসমূহের আকার, ভর এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য একই রকম হয়, ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের পরমাণুসমূহের আকার, ভর এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য ভিন্নরকমের হয়।
3. পরমাণুসমূহ বিভাজিত সৃষ্টি বা ধ্বংস হতে পারে না।
4. সরল পূর্ণসংখ্যক অনুপাতে বিভিন্ন পদর্থের পরমাণু সংযুক্ত হয়ে রাসায়নিক যৌগের সৃষ্টি করে।
5. রাসায়নিক বিক্রয়াসমূহে পরমাণু সংযােজিত, বিভক্ত বা পুনর্বিন্যাসিত হয়।
১৮ শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত ডাল্টনের স্বীকার্যসমূহকে বিজ্ঞানীরা মেনে নিয়েছিলেন। কারণ স্বীকার্সসমূহ অস্বীকার করার মতাে যথেষ্ট তথ্য তাদের ছিল না।




Leave a Comment